• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ০১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Book Fair

রাজ্য

গ্রামীণ স্কুলে বইয়ের আলো, পাহাড়হাটিতে একদিনের বইমেলায় উৎসবের আমেজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারী ২ নম্বর ব্লকের পাহাড়হাটি বাবুরাম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো একদিনের বইমেলা। ছাত্রীদের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি একটি সম্পূর্ণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হওয়ায় মেয়েদের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে বইয়ের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করতেই এই আয়োজন বলে জানান কর্তৃপক্ষ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জানান, বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে বইয়ের প্রতি ছাত্রীদের আগ্রহ ধরে রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গা থেকেই বইকে কাছাকাছি আনার জন্য এই একদিনের বইমেলার আয়োজন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছাত্রীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও স্থানীয় মানুষজনের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বইমেলার শুভ সূচনা করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়। স্কুল চত্বরে সাজানো হয় বিভিন্ন প্রকাশনার বইয়ের স্টল। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, সাধারণ জ্ঞান, জীবনী থেকে শুরু করে পাঠ্য সহায়ক নানা বইয়ের সম্ভারে খুশি ছাত্রীরা। অনেকেই নিজের পছন্দের বই কিনে নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।উল্লেখ্য, শহর থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত এই গ্রামীণ বিদ্যালয়ের আশপাশে নিয়মিত বইয়ের দোকানের বিশেষ সুবিধা নেই। ফলে ছাত্রীদের বই কেনার সুযোগ সীমিত। সেই অভাব পূরণ করতেই এই বইমেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।বিদ্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এবছরের সাফল্যে তাঁরা আপ্লুত। ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আগামী বছরও এই বইমেলার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে বইমেলার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকল।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কথায় আছে ঘুরিয়ে নাক দেখানো! গিল্ডের বইমেলায় স্টল পাচ্ছে বিশ্ব হিন্দু বার্তা

গিল্ডের বইমেলায় স্থান পায়নি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাঁদের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে হাইকোর্টে। বই মেলায় স্টল দিয়ে থাকে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে গিল্ড সিদ্ধান্ত নেয় এবার থেকে কোনও সংগঠনকে স্টল দেওয়া হবে না। সেই নিয়ম অনুসারে বাতিল হয়ে গিয়েছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলের আবেদন। খারিজ করেছে হাইকোর্টও। তবে তাঁদের নয়া আবেদনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ না লিখে বিশ্ব হিন্দু বার্তা লেখায় এবার তাদের স্টল দেওয়া হচ্ছে। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার গিল্ডের সভাপতি ত্রিদীপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের বলা হচ্ছে আমরা নাকি বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বিরোধী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে স্টল দিচ্ছে না গিল্ড। ওরা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। ওটা আদালত খারিজও করে দিয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমরা কোনও সংগঠনকে স্টল দেব না। ভারতীয় জনবার্তাকে দিয়েছি, বিজেপিকে দিইনি। আমরা জাগো বাংলাকে দিয়েছি, তৃণমূল কংগ্রেসকে দিইন। গণশক্তিতে দিয়েছি, সিপিএমকে দিইনি। কংগ্রেস বার্তাকে দিয়েছি, কংগ্রেসকে দিইনি। ঠিক সেই ভাবে বলেছিলাম বিশ্ব হিন্দু বার্তা নামে আবেদন করুন। কিন্তু ইগোর লড়াই। গিল্ড অটোনমাস বডি। সার্বিক সহযোগিতায় থাকে সরকার। সরকারের সরসারি সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। সরকার পাশে থাকেন।কিন্তু একই সংগঠনের কর্তারা ভিন্ন নামে আবেদন করলে স্টল মিলছে, সেকথা জানালেন খোদ গিল্ড কর্তা। অর্থাৎ তাদের পত্রিকা বা প্রকাশনা বিভাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, আমরা ওদের জানাই আপনারা দয়া করে বিশ্ব হিন্দু বার্তা নামে স্টল নিতে পারেন। তখন সম্মত হন। গতকাল ওদের প্রতিনিধি এসে বিশ্ব হিন্দু বার্তা নামে আবেদন করেন। আগের আবেদনের ধারাবাহিক হিসাবে। আমরা সেটা গ্রহণ করি। তারপর ওদের ফর্ম দিই। আজ, বিশ্ব হিন্দু বার্তাকে আমরা অত্যন্ত ভালো জায়গা দিয়েছি। ২৪৯ নম্বর স্টল। সেখানে বিশ্ব হিন্দু বার্তা থাকছে। এটা রাজনীতির জায়গা নয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিশ্ব হিন্দু বার্তা বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে। ২০২৪-এর ২৫ সেপটেম্বরে গিল্ড সিদ্ধান্ত নয় কোনও সংগঠনকে দেব না, তাদের মুখপাত্র বা প্রকশনা বিভাগকে দেব।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৫
কলকাতা

অনেক ছাত্রছাত্রী বাংলা বিমুখ, কেন পড়েন না? আক্ষেপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

কলকাতা বইমেলায় ঢুকতেই আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বইমেলায় বেশ কয়েকটি স্টল পরিদর্শন করেন হাইকোর্টের বিচারপতি। যথারীতি সাধারণ মানুষ তাঁকে ছেকে ধরেন।বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, না না, ভগবান যদি কেউ থাকেন, যদি কিছু থাকেন, সেটা হচ্ছে ভারতবর্ষের সংবিধান এবং ভারতবর্ষের আইন। কোনও মানুষ ভগবান নন। ভারতবর্ষে কোনও মানুষ ভগবান নন। ভারতবর্ষে ভগবান যেটা তৈরি করে গিয়েছেন আমাদের গণপরিষদ, সেটা হল ভারতবর্ষের সংবিধান এবং তার অধীনে যে আইনগুলো আছে, সেগুলো। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, দুর্নীতির অদৃশ্য হাত কবে সামনে আসবে? আর কত অপেক্ষা করতে হবে? জবাবে চুপ করে থাকেন বিচারপতি। ফের পালটা প্রশ্ন ধেয়ে আসে, এটা কি বলা কঠিন স্যার? জবাবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, না না, বলা কঠিন কিছু না।তিনি এক প্রশ্নের জবাবে জানিয়ে দেন বই লেখার ইচ্ছা আছে। বই লেখা প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, হ্যাঁ, আমার ইচ্ছে আছে। পালটা প্রশ্ন আসে, আপনার অভিজ্ঞতার কথা, সেই নিয়ে বই? জবাবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সে তো থাকবেই। ছোটবেলা থেকেই বইমেলায় আসেন বলে জানিয়েছেন অভিজিতবাবু।বাংলা ভাষার বই প্রসঙ্গে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, কলকাতা বইমেলায় এত মানুষ আসেন, এত ভালো ভালো বই। বিশেষ করে আমি বলব, ভালো বাংলা বই লেখা হয় এবং প্রকাশ পায়। আমি মনে করি, যারা বাংলা বিমুখ তাঁদের একটু বাংলা বইয়ের দিকে নজর দেওয়া দরকার। বাংলা বইয়ের এত ভালো ভালো টাইটেল আছে, আমি নিজেও সবসময় পড়ি। কিনি, সংগ্রহ করি। সেটাতো করা উচিতই। এখনকার অনেক ছাত্রছাত্রী, তাঁরা বাংলা বিমুখ। বাংলা পড়েন না। কেন পড়েন না, সেটা তাঁদের পরিবারের লোকেরা বলতে পারবেন। আমি মনে করি, অসম্ভব ভালো ভালো বাংলা বই বহুদিন ধরে লেখা হয়ে আসছে। পড়লে যেমন ভালো লাগে, মজা লাগে, আনন্দ পাই।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

নববারাকপুর বইমেলায় কবি সন্মেলন

নববারাকপুর প্রথম বর্ষ বইমেলার রাজা রামমোহন রায় মঞ্চে কবি সন্মেলন হল। স্থানীয় কবি লেখক রা তিনটি করে স্বরচিত কবিতা পরিবেশন করেন এদিন।অংশগ্রহণ কারী কবিরা হলেন সীমা মালো, সুকান্ত রায়, তৃপ্তি ভট্টাচার্য, বনানী চক্রবর্ত্তী, লীলাবতি বিশ্বাস, বিকাশ দত্ত,লক্ষ্মীনারায়ন চক্রবর্তী, অর্ঘ্যদীপ আচার্য, মেঘমালা বসু, পলাশ পাল, উত্তম দত্ত, শোভন ঘোষ প্রমুখ। বইমেলায় সভা সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন কবি কালিদাস ভদ্র। এদিন মঞ্চে ছড়াকার শোভন ঘোষের কাব্যগ্রন্থ ননসেন্স! প্রকাশ করেন নববারাকপুর শিক্ষা ও সংস্কৃতি পরিষদের সভাপতি ড.অনিরদ্ধ বিশ্বাস। এদিন মঞ্চে উপস্থিত কবিদের সন্মানিত করা হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নববারাকপুর বইমেলায় শুভ উদ্বোধন করেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বইমেলায় ১১ টি প্রকাশনা সংস্থা ও চারটি লিটল ম্যাগাজিন বইয়ের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছে স্থানীয় মজলিস প্রাঙ্গণে। জমজমাট বইমেলা সুদৃশ্য মঞ্চে প্রতিদিন বইপ্রেমীদের উপস্থিত বেশ ভালো সাড়া ফেলে এলাকায় ।মেলা চলবে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন দুপুর তিনটে থেকে রাত নটা পর্যন্ত খোলা।

মার্চ ২৮, ২০২২
কলকাতা

বইমেলায় কেপমারিতে অভিযুক্ত অভিনেত্রীর জেল হেপাজত

বইমেলা থেকে কেপমারির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেত্রী রূপা দত্ত। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা বইমেলা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। একদিনের জেল হেপাজত হয়েছে রূপা দত্তের। তাঁর আইনজীবী এদিন এজলাসে ১৪ দিনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু তা খারিজ করে দেন বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক। গ্রেপ্তারের পরই রূপার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা, একাধিক পার্স উদ্ধার করে পুলিশ।তবে এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এসেছে। টেলি দুনিয়ায় বেশ কয়েকটি সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন রূপা দত্ত। মুম্বইয়েও যোগাযোগ ছিল বলেই তদন্তে উঠে এসেছে। সেলুলয়েডের দুনিয়ায় যাঁর এত পরিচিতি, এভাবে চুরির অভিযোগে তাঁর নাম কেন জড়াল? অন্যদিকে এদিন এজলাসেও বিচারক মামলাটি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিজার লিস্টে দুজন সাক্ষীর নাম ছিল। একজন এর মধ্যে মহিলা কনস্টেবল। প্রশ্ন উঠেছে, দ্বিতীয় জনের জবানবন্দি কেন নেওয়া হল না? অন্যদিকে রূপা দত্ত কেন ডাস্টবিনের পার্সের দিকে হাত বাড়াতে গেলেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

কলকাতা বইমেলা'য় প্রথমবার অংশগ্রহণেই জমজমাট বাংলা পক্ষ'র স্টল, আজ প্রকাশিত হবে ম্যাগাজিন 'একদিন সব বাঙালির হবে'

সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক মাঠে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২২র শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মেলার উদ্বোধন করেন। বিশ্বের বৃহত্তম অ-বাণিজ্যিক বই মেলার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর ছাড়াও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী সুজিত বসু, সাংসদ মালা রায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।প্রায় ৬০০টি বইয়ের স্টল এবং ২০০ লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশক নিয়ে মেলার মাঠ প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। ১৯৭৬ থেকে শুরু হওয়া কলকাতা বইমেলা তার সূচনালগ্ন থেকেই বাংলার সংস্কৃতি ও আবেগের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছে।প্রতি বছর-ই বইমেলা এক বিশেষ থিমের ওপর গড়ে ওঠে। এবছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫0 তম বছর। সেই কারনে বইমেলার এই সংস্করণে মেলার আয়োজক পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলারস গিল্ড বাংলাদেশকেই এবছরের থিম হিসাবে বিবেচনা করে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে আমাদের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে। দুই বাংলাকে কখনই সীমান্ত দিয়ে আলাদা করা যায় না। বাংলা ও বাংলাদেশের মধ্যে মানসিকতাই কোনও পার্থক্য নেই। বাংলাদেশের সকলকে আমার শুভেচ্ছা।মেলায় প্রথম বার অংশগ্রহণ করেই বাঙালির মন জয় করে নিয়েছে বাংলা পক্ষ। বুধবার উদ্বোধনী দিনে তাঁদের স্টলে উপস্থিত ছিলেন বাঙালীর প্রাণপুরুষ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের উত্তরসূরী অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বাংলা ও বাঙালির পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন। অমিতাভ বাবু জানান তিনি বাংলা পক্ষের একজন একনিষ্ঠ সমর্থক। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, তাঁদের স্টলে বাংলা পক্ষ বার্তা, বই, টিশার্ট, ক্যালেন্ডার, কাপ, ব্যাজ, উত্তরীয়, স্টিকার পাওয়া যাচ্ছে।বাংলা পক্ষর স্টলে মনোরঞ্জন ব্যাপারী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়কৌশিক মাইতি আরও বলেন, আমাদের স্টলে সাধারণ মানুষের সমাগম চোখে পড়ার মত। প্রথমবার অংশগ্রহণেই এতটা আশা আমরা করিনি। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বহু বিশিষ্ট মানুষ-ও আসছেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মনোরঞ্জন ব্যাপারী, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বংশধর অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায়, নানা রাজনৈতিক নেতা, সাহিত্যিক, চলচ্চিত্র পরিচালক স্টলে আসছেন। আরও অনেক আসবেন কথা দিয়েছেন। সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় এসেছিলেন। বুধবার বাংলা পক্ষ স্টলে এসেছিলেন নতুন প্রজন্মের বাঙালি ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম পরিচিত মুখ সায়ন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, পাহাড় থেকে মোহনা, বাঙালির মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বইমেলায় বাংলা পক্ষর ৫২৯ নম্বর স্টল।কৌশিক মাইতি আরও জানান, আমাদের স্টলে লেখক রনজিৎ রায়ের লেখা ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ ও জনম মুখার্জীর লেখা ক্ষুধার্ত বাংলা পাওয়া যাচ্ছে। ধ্বংসের পথে পশ্চিমবঙ্গ বইটি হু হু করে বিক্রি হচ্ছে। শনিবার বাংলা পক্ষের ম্যাগাজিন একদিন সব বাঙালির হবে প্রকাশিত হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য আপামর বাঙালির কাছে বাংলা পক্ষর আদর্শ পৌঁছে দেওয়া। বাংলা পক্ষর সাথে অনেকে যুক্ত হতে চান, কিন্তু কিভাবে যুক্ত হবেন সেটা জানেন না; সেক্ষেত্রে বইমেলায় বাংলা পক্ষের স্টল খুব সাহায্য করছে।তিনি জানান, বিভিন্ন জেলা ও বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাঙালিরা আসছেন, দেখা করছেন, তাঁদের সমস্যার কথা মন খুলে বলছেন। বইমেলায় বাংলা পক্ষর মুখপত্র বাংলা পক্ষ বার্তা আমরা মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে পারছি। বইমেলায় বাংলা পক্ষর স্টলে ভিড় সকলের নজর কাড়ছে। বাংলা পক্ষের স্টল নং- ৫২৯। এটি বইমেলার ২ নং গেটের বামদিকে, ৩ নং গেটের ডানদিকে।

মার্চ ০৫, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নেইমারের এক পোস্টেই তোলপাড় ফুটবল বিশ্ব! কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, কেন তাঁকে খোঁচা?

বিশ্বকাপে দুরন্ত জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। অন্যদিকে মরক্কোর কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এই দুই ঘটনার পরই ব্রাজিল তারকা নেইমারের একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি লিখেছেন, মিস্টার জোয়াকিম ক্লেমেন্ট, পরের বিশ্বকাপে আবার চেষ্টা করবেন। এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে, কে এই জোয়াকিম ক্লেমেন্ট এবং কেন তাঁকে উদ্দেশ্য করে এমন মন্তব্য করলেন নেইমার?জোয়াকিম ক্লেমেন্ট পেশায় একজন জার্মান অর্থনীতিবিদ। তবে ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি পরিচিত তাঁর বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীর জন্য। অতীতে তিনি বিশ্বকাপ জয়ীদের নিয়ে একাধিক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, যার মধ্যে কয়েকটি বাস্তবের সঙ্গে মিলেছিল। সেই কারণেই এবারের বিশ্বকাপেও তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এবার ক্লেমেন্ট দাবি করেছিলেন, নেদারল্যান্ডস বিশ্বকাপ জিতবে এবং ব্রাজিল জাপানের কাছে হেরে বিদায় নেবে। কিন্তু বাস্তবে সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দেখা যায়। ব্রাজিল জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা পাকা করে। অন্যদিকে টাইব্রেকারে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায় নেয় নেদারল্যান্ডস। একদিনেই ভুল প্রমাণিত হয় তাঁর দুই বড় ভবিষ্যদ্বাণী।ব্রাজিলের জয়ের পরই নেইমার সামাজিক মাধ্যমে সেই ভাইরাল পোস্ট করেন। পরে নেদারল্যান্ডসের বিদায়ের পর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও ক্লেমেন্টের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই মনে করছেন, ভুল প্রমাণিত হওয়া ভবিষ্যদ্বাণীর জবাব দিতেই এই কটাক্ষ করেছেন ব্রাজিল তারকা।এর আগে ক্লেমেন্ট মন্তব্য করেছিলেন, ব্রাজিলের বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের মান আগের মতো নয়। সেই মন্তব্যও নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। ব্রাজিলের দাপুটে জয়ের পর সমর্থকদের একাংশের দাবি, মাঠের ফলই সমালোচনার সবচেয়ে বড় জবাব দিয়েছে সেলেকাও ফুটবলাররা।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মোথাবাড়ি কাণ্ডে বড় বিস্ফোরণ! একসঙ্গে তেইশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, খুনের চেষ্টার অভিযোগও

মোথাবাড়িতে বিচারকদের হেনস্তার ঘটনায় তদন্তে আরও বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার বিশেষ আদালতে আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। এই দুই মামলায় মোট তেইশ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে খুনের চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।জানা গিয়েছে, প্রথম মামলায় বাইশ জন এবং দ্বিতীয় মামলায় একজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। প্রথম মামলার চার্জশিটের দৈর্ঘ্য চুয়ান্ন পাতা এবং দ্বিতীয় মামলার চার্জশিট এগারো পাতার। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অভিযুক্তরা সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, বিচারকদের হেনস্তা, সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে আটকে রাখা এবং কর্তব্য পালনে বাধা দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।মোথাবাড়ি অশান্তির ঘটনায় মোট বারোটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই চারটি মামলায় একত্রিশ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে একাধিক অভিযুক্তের নাম ছিল। এবার আরও দুটি মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়ার ফলে মোট ছয়টি মামলায় তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পূর্ণ হল। এখনও বাকি থাকা মামলাগুলির তদন্তও দ্রুত এগোচ্ছে বলে সূত্রের খবর।তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া নতুন চার্জশিটে আরও কয়েকজন অভিযুক্তের নাম যুক্ত হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ তুলে আদালতের কাছে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন মালদহের কালিয়াচকের মোথাবাড়ি এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও বহু মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা বিডিও অফিসের ভিতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করতে গেলে বিচারকদের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। মহিলা বিচারক-সহ একাধিক সরকারি কর্মী হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আগামী দিনে আরও চার্জশিট জমা পড়তে পারে বলেও সূত্রের দাবি।

জুন ৩০, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্বকাপের উন্মাদনার মাঝেই চাঞ্চল্য! বাংলাদেশজুড়ে কারা ওড়াচ্ছে এই রহস্যময় কালো-সাদা পতাকা?

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে রয়েছে গোটা বিশ্ব। উপমহাদেশের কোনও দেশ প্রতিযোগিতায় না থাকলেও ফুটবল নিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাটা পড়েনি। প্রতিবেশী বাংলাদেশেও প্রতি বিশ্বকাপেই ফুটবল নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে থাকে। তবে এবার ফুটবল উন্মাদনার পাশাপাশি অন্য একটি বিষয় ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা যাচ্ছে কালো-সাদা রঙের আরবি লেখাযুক্ত এক ধরনের পতাকা। সেই পতাকা নিয়ে বাইক মিছিলও হচ্ছে। বিভিন্ন রাস্তার ধারে সারি সারি ওই পতাকা টাঙানো থাকতেও দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।প্রথমবার গত সতেরো জুন ঢাকায় এই ধরনের পতাকা প্রকাশ্যে দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে মিরপুর, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, পাবনা-সহ বাংলাদেশের একাধিক এলাকায় একই ধরনের পতাকা দেখা যেতে শুরু করে। বিশ্বকাপ চলাকালীন এই পতাকা কেন এত জায়গায় দেখা যাচ্ছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।সামাজিক মাধ্যমে এই পতাকা নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে। একটি পরিচিত ধর্মীয় বিষয়ক পাতা থেকে দাবি করা হয়েছে, এই পতাকাকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করা হলে অন্য দেশের জাতীয় পতাকা নিয়েও একই প্রশ্ন তোলা উচিত। পাশাপাশি কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে এই ধরনের পতাকা বিক্রি ও প্রচারের অভিযোগও সামনে এসেছে।বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, বর্তমানে যে দুটি ধরনের পতাকা দেখা যাচ্ছে, তার একটি আফগানিস্তানের তালিবানদের ব্যবহৃত পতাকার সঙ্গে মিল রয়েছে। অন্য ধরনের পতাকার নকশার সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির ব্যবহৃত পতাকার সাদৃশ্য রয়েছে বলেও মত তাঁদের। যদিও শুধুমাত্র পতাকার চেহারা দেখে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কারণ, এই ধরনের ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে এই পতাকাগুলির উৎস, উদ্দেশ্য এবং কারা এগুলি ছড়াচ্ছে, তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় প্রশাসনের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপের সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বড় ধাক্কা! কণ্ঠস্বরের নমুনা মামলায় রক্ষাকবচ দিল না হাই কোর্ট, সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দিতে রাজি হননি। শুধু তাই নয়, মামলাটি থেকে নিজেও সরে দাঁড়ান তিনি। ফলে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত এই মামলায় অভিষেকের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠল।ঘটনার সূত্রপাত নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তব্যকে ঘিরে। সেই বক্তব্যে তিনি ডিজে বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। তদন্তে নেমে সিআইডি অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সেই নমুনা সংগ্রহের দিন নির্ধারিত ছিল।এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহে বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা করার অনুমতি দিলেও নির্ধারিত দিনে শুনানি হয়নি। পরে দ্রুত শুনানির জন্য মামলাটি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে ওঠে।শুনানির সময় অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল স্বীকার করছেন যে বক্তব্যে শোনা যাওয়া কণ্ঠস্বর তাঁরই। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এর জবাবে বিচারপতি জানতে চান, যদি কণ্ঠস্বর নিজের বলেই স্বীকার করা হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থাকে নমুনা দিতে আপত্তি কোথায়? পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, তদন্তকারী সংস্থা কীভাবে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করবে, তা আদালত নির্ধারণ করতে পারে না।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, একই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আরেকটি মামলা ইতিমধ্যেই অন্য একটি এজলাসে বিচারাধীন রয়েছে। সেই কারণেই তিনি এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফলে মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। তিনি ঠিক করবেন, কোন বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে আরও বলেন, আগে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এখন কণ্ঠস্বরের নমুনা না দিলে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠতে পারে। তবে সেই যুক্তিতে সাড়া দেয়নি আদালত। মঙ্গলবারের শুনানিতে কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা না পাওয়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অবস্থান আরও চাপে পড়ল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

তিন বছর পর বড় পদক্ষেপ! তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী সংস্থা, চাঞ্চল্য রিষড়ায়

রামনবমীর সময় রিষড়ায় হওয়া অশান্তির মামলায় বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ তিন বছর পর মঙ্গলবার রিষড়া পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সাকির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরামবাগের প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী।মঙ্গলবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল রিষড়ায় সাকির আলির বাড়িতে পৌঁছয়। বাড়িটি ঘিরে ফেলার পর দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।সাকির আলি রিষড়া পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলর। দুই হাজার তেইশ সালে রামনবমীর সময় রিষড়ায় যে অশান্তি ও হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই মামলায় তাঁর নাম উঠে আসে। অভিযোগ ছিল, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর ঘটনায় তাঁর ভূমিকা ছিল। সেই সময় এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ, বোমাবাজি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দিন কারফিউও জারি করা হয়েছিল।তদন্তের শুরু থেকেই এই মামলাটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। কারণ, সাকির আলি শুধু তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামীও। যদিও পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে অপরূপা পোদ্দারকে আর প্রার্থী করা হয়নি, সাকির আলি কাউন্সিলর পদে বহাল ছিলেন।সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই এই গ্রেপ্তারি নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, পুরনো মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।এই গ্রেপ্তারের পর রামনবমীর অশান্তি মামলার তদন্তে নতুন মোড় এল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আগামী দিনে এই মামলায় আরও কেউ তদন্তের আওতায় আসেন কি না, সেদিকেই এখন নজর।

জুন ৩০, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই বড় পদক্ষেপ! হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ

মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে বিতর্ক আরও গভীর হল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সতর্কবার্তার পর মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁর বিতর্কিত স্যাটাভাঙা মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া দুটি পৃথক মামলায় তাঁকে আগামী তিন ও পাঁচ জুলাই থানায় হাজিরার নির্দেশ দিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে।তবে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, তিনি এই মুহূর্তে বাড়িতে নেই। তাই নোটিসের বিষয়ে তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, বাড়িতে পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন। নোটিস হাতে পাওয়ার পর তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, তিনি কারও দাসত্ব করবেন না।গত শুক্রবার রেজিনগরের কাশীপুর এলাকায় একটি রাজনৈতিক সভায় হুমায়ুন কবীরের বক্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই সভায় তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে কড়া মন্তব্য করেন। পাশাপাশি মামলা হলেও তা নিয়ে তিনি ভয় পান না বলেও দাবি করেন। পরে শক্তিপুরের আরেকটি সভায় তিনি স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিককে নিয়েও প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন। সেই বক্তব্যও নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।এই ঘটনাগুলির পর সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া অবস্থান নেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, আইনই শেষ কথা বলবে এবং বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় ইতিমধ্যেই দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা পুলিশই নেবে।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই রাজনৈতিক সভার তিন আয়োজককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার সকালে তদন্তের অংশ হিসেবে হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গিয়ে দুটি মামলায় থানায় হাজিরার নোটিস দিয়ে আসে পুলিশ।এখন হুমায়ুন কবীর নির্ধারিত দিনে থানায় হাজিরা দেবেন কি না, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলার তদন্তে আগামী দিনে আরও কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে।

জুন ৩০, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের কোটি কোটি টাকার তহবিল নিয়ে নতুন মোড়! হাই কোর্টে যা ঘটল, বাড়ল জল্পনা

তৃণমূলের তহবিল নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে ফের বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট শিবির। দলের তহবিল সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও মঙ্গলবার সেই আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নির্ধারিত তালিকার বাইরে এই মামলার শুনানি এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই মামলার শুনানি হবে।আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মামলায় সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতের কাছে আবেদন জানান, দ্রুত শুনানি সম্ভব না হলেও অন্তত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানির সুযোগ দেওয়া হোক।কালীঘাট শিবির থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন গোষ্ঠী গঠনের পর থেকেই তৃণমূলের প্রতীক ও তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। সেই বিরোধের জেরে দলের কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্কে আবেদন করেন, যাতে দলের কোনও পক্ষই তহবিল ব্যবহার করতে না পারে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়। ওই তিনটি অ্যাকাউন্টে মোট চারশো চল্লিশ কোটি টাকা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে।তহবিল নিয়ে বিরোধ আদালতে পৌঁছানোর পর মামলার শুনানি চলছে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। এদিকে ঋতব্রতপন্থী শিবির দলের আর্থিক লেনদেনের পূর্ণ তথ্য জানতে বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনাও করেছে।সোমবার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলে বিচারপতি নির্দেশ দেন, মামলায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ, পুলিশ এবং রাজ্য সরকারকে পক্ষ হিসেবে যুক্ত করতে হবে এবং তাঁদের কাছে নোটিস পাঠাতে হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর মঙ্গলবার ফের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি।বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে মামলার নির্ধারিত সময়সূচি পরিবর্তন করা হবে না। তবে রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে আগামী বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal